সাইক্লোন ফণী: ওড়িশায় আসন্নপ্রসবাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালগুলিতে

শক্তি বাড়িয়ে পূর্ব উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। এর পরিপ্রেক্ষিতে অন্যতম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওড়িশা সরকার রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকার সমস্ত আসন্নপ্রসবাকে নিকটবর্তী হাসপাতালগুলিতে সরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ওড়িশা সরকার। উপকূলবর্তী একালার লোকজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসেবেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

ABP News Bureau Last Updated: 09 May 2019 01:30 PM

Background

ভুবনেশ্বর:শক্তি বাড়িয়ে পূর্ব উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। এর পরিপ্রেক্ষিতে অন্যতম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওড়িশা সরকার রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকার সমস্ত আসন্নপ্রসবাকে নিকটবর্তী হাসপাতালগুলিতে সরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ওড়িশা সরকার। উপকূলবর্তী একালার লোকজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসেবেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ক্রান্তীয় ঝড় আছড়ে পড়ার আগে ওড়িশার উপকূলবর্তী নিচু এলাকাগুলি থেকে প্রায় আট লক্ষ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপক অভিযান চলছে।

বিশেষ ত্রাণ কমিশনারের দফতরের মুখপাত্র সংগ্রাম মহাপাত্র জানিয়েছেন,এক হাজারের বেশি অন্তঃসত্ত্বাকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টানায়েক বিশেষ করে মহিলা, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে বলেছেন। এই নির্দেশ মতো অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঝড়ে যাঁদের সবচেয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আসন্নপ্রসবারা। যে সব মহিলা ৩৬ সপ্তাহ বা তার বেশি সময়ের জন্য অন্তঃসত্ত্বা তাঁদের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ফণীর প্রভাবে ওড়িশার পুরী, জগতসিংপুর, কেন্দ্রাপাড়া, বালেশ্বর, ভদ্রক, গঞ্জাম, খুরদা, জাজপুর, নয়াগড়, কটক, গজপতি, ময়ূরভঞ্জ, ঢেঙ্কানল ও কেওনঝড়ের মতো জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। ফণীর প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশেও।
কেন্দ্রাপাড়া জেলা কালেক্টর দাশরথি শতপথি জানিয়েছেন, আশা কর্মীদের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের হাসপাতালে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আজ রাতের মধ্যেই তাঁদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শেষ হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন মহাপাত্র। অতীতের অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতেই এই বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মহাপাত্র বলেছেন, কোনও দুর্যোগের সময় অন্তঃসত্ত্বারা অন্যতম ভূক্তভোগীর তালিকায় থাকেন। তাঁরা ওই সময় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং আশ্রয় শিবিরে তাঁদের জন্য চিকিত্সা পরিষেবার বন্দোবস্ত করার কাজ সমস্যার হয়ে ওঠে।

© Copyright@2025.ABP Network Private Limited. All rights reserved.